
মাধ্যমিক শিক্ষা হলো প্রাথমিক শিক্ষার পরবর্তী এবং উচ্চশিক্ষার পূর্ববর্তী পর্যায়, যা সাধারণত ১১-১৮ বছর বয়স পর্যন্ত চলে। বাংলাদেশে এটি মূলত ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক) এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উচ্চ মাধ্যমিক) নিয়ে গঠিত, যেখানে কিশোর-কিশোরীদের মৌলিক জ্ঞান ও জীবনের দক্ষতা বিকাশের ওপর জোর দেওয়া হয়। এটি বয়ঃসন্ধিকালের শিক্ষা হিসেবেও পরিচিত।
মাধ্যমিক শিক্ষার মূল দিক সমূহ:
- পর্যায়: একে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: নিম্ন মাধ্যমিক (ষষ্ঠ-অষ্টম বা নবম-দশম শ্রেণি) এবং উচ্চ মাধ্যমিক (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)।
- উদ্দেশ্য: উচ্চশিক্ষার ভিত্তি তৈরি করা, জীবনমুখী ও কারিগরি দক্ষতা অর্জন, এবং চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটানো।
- পাঠ্যক্রম: এতে ভাষা, বিজ্ঞান, গণিত, মানবিক, এবং সামাজিক বিজ্ঞানের মত বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শিক্ষার জন্য প্রস্তুত করে।
- মূল্যায়ন: এই স্তরের শেষে জাতীয় বা বোর্ড পরীক্ষার (যেমন- এসএসসি, এইচএসসি) মাধ্যমে মেধার মূল্যায়ন করা হয়।
- শিক্ষা ব্যবস্থা: বাংলাদেশে মাধ্যমিক শিক্ষার একটি বড় অংশ (প্রায় ৯৩%) বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
এটি কিশোর-কিশোরীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং তাদের জীবনের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিতে সাহায্য করে।

