নতুন ভোটার হওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হল

বাংলাদেশে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আগামী ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই বিশেষ সুযোগ দিয়েছে। ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী (যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হয়েছে) বাংলাদেশি নাগরিকরা এই সময়ের মধ্যে আবেদন করে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আবেদন করার জন্য সাধারণত নিচের নথিপত্রগুলোর প্রয়োজন হয়:

  • অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ: ডিজিটাল বা ভেরিফাইড করা জন্ম সনদের কপি (বাধ্যতামূলক)।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: এসএসসি (SSC) বা সমমানের পরীক্ষার সার্টিফিকেট (যদি থাকে)।
  • পিতা-মাতার এনআইডি (NID): পিতা এবং মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
  • নাগরিকত্ব সনদ: স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত চারিত্রিক/নাগরিকত্ব সনদ।
  • ঠিকানার প্রমাণ: ইউটিলিটি বিলের কপি (যেমন- বিদ্যুৎ, গ্যাস বা পানির বিলের কপি) অথবা হোল্ডিং ট্যাক্স বা চৌকিদারি ট্যাক্সের রসিদ।
  • রক্তের গ্রুপ: ব্লাড গ্রুপ পরীক্ষার মেডিকেল রিপোর্ট।
  • বিবাহিতদের ক্ষেত্রে: বিবাহিত নারীদের জন্য স্বামীর এনআইডি (NID) এবং নিকাহনামা বা কাবিননামার কপি।

আবেদনের নিয়মাবলি

১. অনলাইন নিবন্ধন: প্রথমে Bangladesh NID Application System ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন ও আবেদন ফর্মটি নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
২. ফর্ম প্রিন্ট করা: অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার পর পূরণকৃত আবেদন ফর্মটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন।
৩. অফিসে জমা ও বায়োমেট্রিক: প্রিন্ট করা আবেদন ফর্মের সাথে উপরে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল ও ফটোকপি নিয়ে আপনার সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন। সেখানে আপনার ছবি, আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) এবং চোখের আইরিশ স্ক্যান নেওয়া হবে।

গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি

  • আবেদনের শেষ তারিখ: ৩১ জুলাই ২০২৬।
  • খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ: ৯ আগস্ট ২০২৬।
  • ভুল সংশোধন বা আপত্তির সময়: ২৪ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত।
  • চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top